ঢাকা — গত সাত মাসে নিখোঁজ শিশুদের বিষয়ে বাংলাদেশে ১৫,৭১৭টি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ড. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, নিখোঁজ হিসেবে জিডি করা অনেক শিশু পরবর্তী সময়ে তাদের পরিবারের কাছে ফিরে আসে। তবে নিখোঁজ হিসেবে জিডি হওয়ার পর বর্তমানে কতজন শিশু এখনো নিখোঁজ রয়েছে, সে বিষয়ে সরকারের কাছে পূর্ণাঙ্গ তথ্য নেই বলে জানান তিনি।
নিখোঁজ শিশুদের বিষয়ে করা জিডির সংখ্যা নিয়ে সতর্কতার সঙ্গে তথ্য বিশ্লেষণের আহ্বান জানান ড. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, বর্তমান পরিসংখ্যানকে বাংলাদেশের জন্য একটি ‘নতুন সংকট’ হিসেবে দেখা উচিত নয়।
তিনি জানান, ২০২৫ সালের জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে নিখোঁজ শিশুদের বিষয়ে ১৩,৮৭৬টি জিডি করা হয়েছিল। গত সাত মাসের সংখ্যার সঙ্গে ওই সময়ের পরিসংখ্যানের তুলনা করে তিনি বলেন, দুই সময়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য নেই।
নিখোঁজ প্রাপ্তবয়স্কদের বিষয়ে জিডি
সংবাদ ব্রিফিংয়ে নিখোঁজ প্রাপ্তবয়স্কদের বিষয়েও পরিসংখ্যান তুলে ধরেন তথ্য উপদেষ্টা।
তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত সাত মাসে নিখোঁজ প্রাপ্তবয়স্কদের বিষয়ে ১৩,৫৮০টি জিডি করা হয়েছে। এর আগের সাত মাসে এ সংখ্যা ছিল ১৩,০০৩টি।
ড. জাহেদ উর রহমান এই দুই সময়ের পরিসংখ্যানকে তুলনীয় বলে উল্লেখ করেন।
রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও বক্তব্য
রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, শুরু থেকেই কিছু ভুলের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।
তিনি বলেন, আগের সরকার দ্বিপক্ষীয় সমাধানের পথে এগিয়েছিল। অন্যদিকে, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করছে।
রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা আশাব্যঞ্জক হলেও এখনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি বলে জানান তিনি। তবে সংকট সমাধানে কাজ অব্যাহত রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তথ্য উপদেষ্টা।
সম্পাদকের নোট: এই প্রতিবেদনে ব্যবহৃত পরিসংখ্যান ও বক্তব্য ব্যবহারকারীর সরবরাহ করা সংবাদ উপকরণের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। জিডির সংখ্যাগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়েছে—এমন কোনো তথ্য সরবরাহ করা হয়নি।
